সুনামগঞ্জ , শুক্রবার, ০৫ জুন ২০২৬ , ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম :
মুক্তিযুদ্ধের সঙ্গে অন্য কোনও ঘটনার তুলনা হয় না : মির্জা ফখরুল শিশুর হাতে স্মার্টফোন : আশীর্বাদ না অভিশাপ? হাওরের জন্য ৫০ হাজার কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দের দাবি টাঙ্গুয়ার হাওরে উজাড় হচ্ছে হিজল-করচ বাগ সাম্রাজ্যবাদী ও দেশবিরোধী সব চুক্তি বাতিলের দাবি “সমন্বয়কদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েন হান্নান মাসউদ” গুপ্ত ছিলাম, বাইরে যাইনি, ভবিষ্যতেও পালাবো না : জামায়াত আমির প্রাথমিক শিক্ষা পদক ২০২৬ জেলা পর্যায়ে শ্রেষ্ঠ হলেন যাঁরা বিদ্যুতের দাম বাড়লো দুই বছরে নিঃস্ব হয়ে ফিরেছেন ২১৫ জন তিন মাসে খেলাপি ঋণ বেড়েছে ৩১৪৮৭ কোটি টাকা মা-বাবার পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত তোফায়েল আহমেদ গণমাধ্যম, পুলিশ ও প্রবাসীদের উদ্যোগে অসহায় সাজু মিয়ার মুখে হাসি হাওরপাড়ে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়নে পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাস যাত্রী ওঠানো নিয়ে সংঘর্ষে আহত ১২, সিএনজিচালিত অটোরিকশা ভাঙচুর ১০টি পৌরসভার পানি সরবরাহ লাইনে ত্রুটি, দুর্ভোগে ৬ শতাধিক গ্রাহক স্থানীয় সরকার নির্বাচন : আগস্টের শেষে তফসিল, অক্টোবরে ভোটের চিন্তা হাওরে কৃষকের নিরানন্দ ঈদ তোফায়েল আহমেদ আর নেই আমার রাজনীতির মূল লক্ষ্য জনগণের কল্যাণ নিশ্চিত করা : এমপি কামরুল

জলমহাল নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলা প্রসঙ্গে

  • আপলোড সময় : ১১-১১-২০২৪ ০৩:২৯:১৪ অপরাহ্ন
  • আপডেট সময় : ১১-১১-২০২৪ ০৩:২৯:১৪ অপরাহ্ন
জলমহাল নিয়ে পাল্টাপাল্টি হামলা প্রসঙ্গে
গণমাধ্যমান্তরে সংবাদ সম্প্রচারিত হয়েছে যে, জলমহালে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে পাল্টাপাল্টি অভিযোগসহ পাল্টাপাল্টি হামলার ঘটনা ঘটছে। বলা হয়েছে, সুনামগঞ্জের ধর্মপাশা ও মধ্যনগর এলাকায় বিগত ২৫ বছরে জলমহাল ঘুরেফিরে শাসন করেছেন, আওয়ামী লীগ ও বিএনপি এই দুই দলের প্রভাবশালীরা। বিএনপির শাসনামলে বিএনপি নেতারা, আওয়ামী লীগের শাসনামলে আওয়ামী লীগের নেতারা জলমহাল দখলে ছিলেন। বিগত সময়ে কোথাও নামেমাত্র রাজস্ব দিয়ে, কোথাওবা রাজস্ব ছাড়াই হয়েছে অনেক জলমহাল লুটপাট। একজন বলেছেন, ‘মোকারম শুনেছি বিভিন্ন জলমহাল ইজারা নিয়ে টুকরো টুকরো করে বিক্রয় করেছে। ভৈরবের এক ব্যবসায়ীর কাছ থেকেও ৩৫ লাখ টাকা এনেছে। সে জলমহালে শেয়ার দেবার কথা বলে বিভিন্ন লোকের কাছ থেকে দুই কোটি [টাকা] হাতিয়ে নিয়েছে।’ এবংবিধ সংবাদে প্রতিপন্ন হয় যে, প্রকৃতপ্রস্তাবে জলমহালগুলো ব্যক্তিগত সম্পত্তির মতো হয়ে গেছে কেবল নয়, বরং পুরনো ইজারানীতিই প্রকারান্তরে বহাল আছে। পুরনো ইজারানীতি মোতাবেক ব্যক্তি বিশেষকে ইজারা দেওয়া হতো। পরে এই নীতি বদলে ব্যক্তিবিশেষের বদলে মৎস্যজীবী সমিতিকে ইজারা দেওয়ার নীতি প্রবর্তন করা হয় এবং প্রকারান্তরে এই নতুন নীতিটি হয়ে দাঁড়ায় সমিতির নামে ইজারা নিয়ে রাজনীতিক প্রভাবশালীদের জলমহাল দখলের নীতি। লক্ষণীয় যে, জলমহালের দখল-বেদখল নিয়ে পারস্পরিক অভিযোগ ও সংঘর্ষ-হামলার ঘটনাগুলো কিন্তু বিবদমান দুই মৎস্যজীবী সমিতির মধ্যে সংঘটিত হয় নি বা হচ্ছে না। অর্থাৎ কাগজে নাহলেও বাস্তবে জলমহালের দখলে আছেন কোন না কোনও ব্যক্তি, কোনও মৎস্য সমিতি নয়। অথচ সরকার থেকে প্রতিটি জলমহাল কোনও না কোনও মৎস্যজীবী সমিতিকে ইজারানীতি মেনে ইজারা দেওয়া হয়েছে। সত্যিকার অর্থে একেই বলে রাজনীতিক কেরদানি, যে-কেরদানির জোরে মৎস্যজীবী সমিতির নামে দেওয়া জলমহাল প্রভাশালীর দখলে চলে যায়। এমতাবস্থায় অনেকেই মনে করেন বর্তমান কার্যকর জলমহাল ইজারানীতি বাতিল করে নতুন নীতি প্রবর্তন করা দরকার। প্রভাবশালীদের জলমহাল দখলের প্রবণতারোধী জলমহাল ইজারানীতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনার অবকাশ এখানে নেই। কেবল বলি, নীতিটি এমন হতে হবে যাতে করে মৎস্যজীবী সমিতির নামে প্রভাবশালীরা জলমহাল দখলের কোনও সুযোগ না পায়।

নিউজটি আপডেট করেছেন : SunamKantha

কমেন্ট বক্স